সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালাল বড় বুর্জোয়া শাসকশ্রেণির মদদেই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং মৌলবাদের বিকাশ
আন্দোলন প্রতিবেদন
মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২১ | অনলাইন সংস্করণ
১৩ অক্টোবর ২০২১ কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরান পাওয়ার ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশের সর্বত্র হিন্দু-ধর্মাবলম্বীদের উপর বর্বর আক্রমণ, ভাঙচুর, লুটতরাজ হয়েছে। এগুলো সাম্প্রদায়িক সমস্যা নয়, পরিকল্পিত অপরাধমূলক কার্যকলাপ তা এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। সাধারণ বিবেচনাবোধ থেকেই বোঝা যায় কোনো ধর্মপ্রাণ হিন্দু নিজেদের সর্বোচ্চ পূজামণ্ডপে কোরান রাখতে পারেন না। কোনো ধর্মপ্রাণ মুসলিমও নিজেদের পবিত্র গ্রন্থ কোরান পূজামণ্ডপে নিতে পারেন না। যারা এটা করেছে তাদের উদ্দেশ্য হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সংঘাত বাধিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদেরকে দেশত্যাগে বাধ্য করা, তাদের জমি-সম্পত্তি দখল করা, জনগণের মৌলিক সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেয়া, বুর্জোয়া ভোটের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করা, প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মবাদকে শক্তিশালী করা, ভারতের মুসলিম বিরোধী হিন্দুত্ববাদী চক্রান্তকে উস্কে দেয়া।
ভিক্টিম ভবঘুরে ইকবাল ও হামলায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের দেওয়া তথ্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে, জ্বালাও-পোড়াওয়ে আওয়ামীপন্থি এমপি ও বিএনপি-জামাত পন্থি মেয়রের ঘনিষ্ঠজনদের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং এ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে দেখানোর সকল অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এটা প্রমাণিত, এ যাবৎকালে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী জাতিসত্তার ওপর আক্রমণের ঘটনাবলি রাষ্ট্র-শাসকশ্রেণির মদদেই ঘটেছে। দেশের হিন্দু জনতার জমি-সম্পদ দখলের সিংহভাগ করেছে তারাই (তথ্যঃ ড. বারাকাত)।
সেজন্য শাসকশ্রেণি এখন উভয় গ্রুপের রাঘব বোয়ালদের বাঁচানোর জন্য কিছু চুনোপুঁটিকে ধরে নিকট অতীতের রামু, শাল্লার নোয়াগাঁও, নাসিরনগর ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মতই রিমাণ্ড, তদন্ত, দীর্ঘায়িত বিচার প্রক্রিয়ার কূটকৌশল করে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিজেপির কেন্দ্রসহ পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষনেতারা মাঠে নেমেছে এবং কংগ্রেসের উচ্চপর্যায় থেকে হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদকে রক্ষায় আমাদের দেশে ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী হস্তক্ষেপকে জায়েজ করছে। একইসাথে মুসলিম বিরোধী চক্রান্তকে বাড়িয়ে তুলছে।
আমাদের দেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ দায়ীদের শাস্তি দাবি করলেও প্রকৃত অপরাধী শাসকশ্রেণি, রাষ্ট্রযন্ত্র ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিরুদ্ধে কখনোই বর্শামুখ তাক করেনি। ফলে তাদের আন্দোলন শেষপর্যন্ত শাসকশ্রেণিকেই পরিপুষ্ট করে।
ইসলাম ধর্মবাদী রাজনীতির একাংশ ‘কোরান অবমাননা’র জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা ও তাদের শাস্তি দাবি না করে কোরান অবমাননার ইস্যুর উপর জোর দিয়ে নিরপরাধ সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর আক্রমণকে উস্কে দিয়েছে। সরকার আক্রমণকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে দমনের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং প্রশাসনকে নিষ্ক্রিয় রেখে তাদের তাণ্ডব চলতে দিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের অপরাধকে আড়াল করার জন্য ধর্মান্ধতাকে কাজে লাগিয়েছে।
কিছু বুর্জোয়া বুদ্ধিজীবী ও দল এর জন্য ইসলামী মৌলবাদী শক্তিকে দায়ী করছে। তারা ধর্মবাদী ও অপরাধীচক্রকে একাকার করে মূলত সরকার-আওয়ামী লীগের হাত শক্তিশালী করছে। একইসাথে তারা ধর্মবাদী শক্তির পেছনে শাসকশ্রেণি, রাষ্ট্রযন্ত্র, সরকার ও সকল প্রধান বুর্জোয়া পার্টিগুলোর মদদকে আড়াল করছে।
বিগত পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকারগুলো এবং বুর্জোয়া দলগুলো অব্যাহতভাবে ধর্মবাদকে শক্তিশালী করেছে। তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদার আওয়ামীলীগও তাদের আমলে ‘রাষ্ট্রধর্ম’বজায় রেখেছে, ধর্মবাদী রাজনীতিও অব্যাহত রেখেছে। জামাতের বিপরীতে হেফাজতকে পেলেপুষে বিশাল মহীরুহে পরিণত করছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে দ্বিগুণ করেছে। প্রতিটি উপজেলায় সরকারি খরচে “মডেল মসজিদ”নির্মাণ করছে। এভাবে তারা রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যবহার করছে। বুর্জোয়া বুদ্ধিজীবী নেতা জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, সরকার মসজিদভিত্তিক বাজেট ছাড়াও মাদ্রাসার জন্য ৫ হাজার টাকা দিয়েছে। এসবের ফলে জনগণের একটা বড় অংশের মধ্যেও সাম্প্রদায়িক মনোভাবের বিকাশ ঘটেছে, যা পাকিস্তান আমলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী।
যার ফলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলেও সংখ্যালঘুদের উপর বর্ধিত নির্যাতন ও তাদের জমি-সম্পদ দখলের অপরাধী কর্মকাণ্ড চলছেই। ৮০ বছর আগে ধর্মভিত্তিক পাকিস্তান-ভারত রাজনীতির কোপানলে লক্ষ লক্ষ মানুষ বলি হয়েছিলেন এবং কোটি কোটি জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। বাংলাদেশ ও ভারত রাষ্ট্র ও শাসকরা জনগণকে এখনো সেখানেই রেখেছে ।
এই বিষচক্র থেকে মুক্তি পেতে হলে হিন্দু-মুসলিমসহ সমস্ত ধর্ম-বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠীর জনগণকে প্রথম তাদের শত্রু মিত্র নির্ধারণ করতে হবে। সকল ধর্মের সাধারণ জনগণের সাধারণ শত্রু হলো- সকল ধর্মের বড় বুর্জোয়া শাসকশ্রেণি, তাদের রাষ্ট্রযন্ত্র, সরকার, বুর্জোয়া পার্টিগুলো এবং তাদের প্রভু ভারত ও সাম্রাজ্যবাদীরা- যারা ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করে এবং ধর্মবাদী রাজনীতি সামনে এনে সহিংসতা চালিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিল করে। তাদের বিরুদ্ধে নিপীড়িত সকল ধর্মের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং ধর্মবাদের রক্ষক বিদ্যমান বুর্জোয়া রাজনীতি, সরকার, রাষ্ট্রযন্ত্র উচ্ছেদ করতে হবে। কেবলমাত্র নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লবের মাধ্যমেই সকল ধর্মের শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্তসহ নিপীড়িত জনগণের মুক্তি হবে।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালাল বড় বুর্জোয়া শাসকশ্রেণির মদদেই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং মৌলবাদের বিকাশ
১৩ অক্টোবর ২০২১ কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরান পাওয়ার ইস্যুকে কেন্দ্র করে দেশের সর্বত্র হিন্দু-ধর্মাবলম্বীদের উপর বর্বর আক্রমণ, ভাঙচুর, লুটতরাজ হয়েছে। এগুলো সাম্প্রদায়িক সমস্যা নয়, পরিকল্পিত অপরাধমূলক কার্যকলাপ তা এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে। সাধারণ বিবেচনাবোধ থেকেই বোঝা যায় কোনো ধর্মপ্রাণ হিন্দু নিজেদের সর্বোচ্চ পূজামণ্ডপে কোরান রাখতে পারেন না। কোনো ধর্মপ্রাণ মুসলিমও নিজেদের পবিত্র গ্রন্থ কোরান পূজামণ্ডপে নিতে পারেন না। যারা এটা করেছে তাদের উদ্দেশ্য হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সংঘাত বাধিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদেরকে দেশত্যাগে বাধ্য করা, তাদের জমি-সম্পত্তি দখল করা, জনগণের মৌলিক সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে দেয়া, বুর্জোয়া ভোটের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করা, প্রতিক্রিয়াশীল ধর্মবাদকে শক্তিশালী করা, ভারতের মুসলিম বিরোধী হিন্দুত্ববাদী চক্রান্তকে উস্কে দেয়া।
ভিক্টিম ভবঘুরে ইকবাল ও হামলায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের দেওয়া তথ্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে, জ্বালাও-পোড়াওয়ে আওয়ামীপন্থি এমপি ও বিএনপি-জামাত পন্থি মেয়রের ঘনিষ্ঠজনদের সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং এ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে দেখানোর সকল অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এটা প্রমাণিত, এ যাবৎকালে হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ সকল ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী জাতিসত্তার ওপর আক্রমণের ঘটনাবলি রাষ্ট্র-শাসকশ্রেণির মদদেই ঘটেছে। দেশের হিন্দু জনতার জমি-সম্পদ দখলের সিংহভাগ করেছে তারাই (তথ্যঃ ড. বারাকাত)।
সেজন্য শাসকশ্রেণি এখন উভয় গ্রুপের রাঘব বোয়ালদের বাঁচানোর জন্য কিছু চুনোপুঁটিকে ধরে নিকট অতীতের রামু, শাল্লার নোয়াগাঁও, নাসিরনগর ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মতই রিমাণ্ড, তদন্ত, দীর্ঘায়িত বিচার প্রক্রিয়ার কূটকৌশল করে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিজেপির কেন্দ্রসহ পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষনেতারা মাঠে নেমেছে এবং কংগ্রেসের উচ্চপর্যায় থেকে হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদকে রক্ষায় আমাদের দেশে ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী হস্তক্ষেপকে জায়েজ করছে। একইসাথে মুসলিম বিরোধী চক্রান্তকে বাড়িয়ে তুলছে।
আমাদের দেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ দায়ীদের শাস্তি দাবি করলেও প্রকৃত অপরাধী শাসকশ্রেণি, রাষ্ট্রযন্ত্র ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিরুদ্ধে কখনোই বর্শামুখ তাক করেনি। ফলে তাদের আন্দোলন শেষপর্যন্ত শাসকশ্রেণিকেই পরিপুষ্ট করে।
ইসলাম ধর্মবাদী রাজনীতির একাংশ ‘কোরান অবমাননা’র জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা ও তাদের শাস্তি দাবি না করে কোরান অবমাননার ইস্যুর উপর জোর দিয়ে নিরপরাধ সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর আক্রমণকে উস্কে দিয়েছে। সরকার আক্রমণকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে দমনের কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং প্রশাসনকে নিষ্ক্রিয় রেখে তাদের তাণ্ডব চলতে দিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের অপরাধকে আড়াল করার জন্য ধর্মান্ধতাকে কাজে লাগিয়েছে।
কিছু বুর্জোয়া বুদ্ধিজীবী ও দল এর জন্য ইসলামী মৌলবাদী শক্তিকে দায়ী করছে। তারা ধর্মবাদী ও অপরাধীচক্রকে একাকার করে মূলত সরকার-আওয়ামী লীগের হাত শক্তিশালী করছে। একইসাথে তারা ধর্মবাদী শক্তির পেছনে শাসকশ্রেণি, রাষ্ট্রযন্ত্র, সরকার ও সকল প্রধান বুর্জোয়া পার্টিগুলোর মদদকে আড়াল করছে।
বিগত পাঁচ দশক ধরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকারগুলো এবং বুর্জোয়া দলগুলো অব্যাহতভাবে ধর্মবাদকে শক্তিশালী করেছে। তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদার আওয়ামীলীগও তাদের আমলে ‘রাষ্ট্রধর্ম’বজায় রেখেছে, ধর্মবাদী রাজনীতিও অব্যাহত রেখেছে। জামাতের বিপরীতে হেফাজতকে পেলেপুষে বিশাল মহীরুহে পরিণত করছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে দ্বিগুণ করেছে। প্রতিটি উপজেলায় সরকারি খরচে “মডেল মসজিদ”নির্মাণ করছে। এভাবে তারা রাজনীতিতে ধর্মকে ব্যবহার করছে। বুর্জোয়া বুদ্ধিজীবী নেতা জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, সরকার মসজিদভিত্তিক বাজেট ছাড়াও মাদ্রাসার জন্য ৫ হাজার টাকা দিয়েছে। এসবের ফলে জনগণের একটা বড় অংশের মধ্যেও সাম্প্রদায়িক মনোভাবের বিকাশ ঘটেছে, যা পাকিস্তান আমলের চেয়ে অনেক শক্তিশালী।
যার ফলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলেও সংখ্যালঘুদের উপর বর্ধিত নির্যাতন ও তাদের জমি-সম্পদ দখলের অপরাধী কর্মকাণ্ড চলছেই। ৮০ বছর আগে ধর্মভিত্তিক পাকিস্তান-ভারত রাজনীতির কোপানলে লক্ষ লক্ষ মানুষ বলি হয়েছিলেন এবং কোটি কোটি জনগণ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। বাংলাদেশ ও ভারত রাষ্ট্র ও শাসকরা জনগণকে এখনো সেখানেই রেখেছে ।
এই বিষচক্র থেকে মুক্তি পেতে হলে হিন্দু-মুসলিমসহ সমস্ত ধর্ম-বর্ণ, জাতি, গোষ্ঠীর জনগণকে প্রথম তাদের শত্রু মিত্র নির্ধারণ করতে হবে। সকল ধর্মের সাধারণ জনগণের সাধারণ শত্রু হলো- সকল ধর্মের বড় বুর্জোয়া শাসকশ্রেণি, তাদের রাষ্ট্রযন্ত্র, সরকার, বুর্জোয়া পার্টিগুলো এবং তাদের প্রভু ভারত ও সাম্রাজ্যবাদীরা- যারা ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করে এবং ধর্মবাদী রাজনীতি সামনে এনে সহিংসতা চালিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিল করে। তাদের বিরুদ্ধে নিপীড়িত সকল ধর্মের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং ধর্মবাদের রক্ষক বিদ্যমান বুর্জোয়া রাজনীতি, সরকার, রাষ্ট্রযন্ত্র উচ্ছেদ করতে হবে। কেবলমাত্র নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লবের মাধ্যমেই সকল ধর্মের শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্তসহ নিপীড়িত জনগণের মুক্তি হবে।
আরও খবর
- শনি
- রোব
- সোম
- মঙ্গল
- বুধ
- বৃহ
- শুক্র